এসইও শিখতে হলে বা শেখার সময়ে যে বিষয়টি আমাদের শেখা জরুরী তা হলো কিওয়ার্ড সম্পর্কে ভালো স্পষ্ট জ্ঞান আমাদের থাকতে হবে।

আর না হলে পরিপূর্ণ এসইও কখনোই শেখা হবেনা।


যাহোক আজকে আমি এই পোস্টে আলোচনা করবো সর্ট কিওয়ার্ড কি?  বা কাকে বলে? 

এই বিষয় নিয়ে, এবং পরবর্তীতে সবধরনের কিওয়ার্ড নিয়েই পোস্ট করবো ইনশাআল্লাহ।



সর্ট কিওয়ার্ড সম্পর্কে জানার আগে আপনাকে জানতে হবে কিওয়ার্ড কাকে বলে?

কিওয়ার্ড হলো কোনো অনুসন্ধানকারী সার্চ ইন্জিনে যে শব্দ বা সেন্টেন্স লিখে সার্চ করে সেই শব্দটিকে বা বাক্যটিকেই কিওয়ার্ড বলা হয়।




আমরা কিওয়ার্ড কি জানলাম।

এখন জানবো সর্ট কিওয়ার্ড কি?

সর্ট কিওয়ার্ড হলোঃ সংক্ষেপে অনুসন্ধানকারীরা সার্চ ইন্জিনে যা লিখে সার্চ করে তাকেই বলা হয় সর্ট কিওয়ার্ড।

আরেকটু সহজে বলা যায়, একটি শব্দ বা অল্পসংখ্যক কিছু ক্যারেক্টার দিয়ে যে কিওয়ার্ড তৈরি হয় তাকে বলা হয় সর্ট কিওয়ার্ড।



যেমনঃ ইন্টারনেট কি?

নেট কি?

লাইফ কি?

এসইও কি?

সর্ট কিওয়ার্ড কি?

উপরোক্ত সব কিওয়ার্ড গুলো সর্ট কিওয়ার্ডের উদাহরণ।

তাহলে আশাকরি নিশ্চয়ই বরঝতে পেরেছেন।


 


আমরা যারা আর্টিকেল লেখালেখির কাজ করি এবং ব্লগিং করি তাদের কাছে এসইও শব্দটি পরিচিত একটি শব্দ।

কম বেশী সবাই এসইও শব্দটি শুনেছি এবং এসইও সম্পর্কে কমবেশি সবাই ই একটু জানি তাইতো?


কিন্তু অনেকেই রয়েছে যারা শুধু এসইও শব্দটি শুনেছে কিন্তু এটির সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারনা নেই, এবং ব্লগিং করতেছে।


এসইও না জানলে আপনি ব্লগিংয়ে কখনোই সাক্সেসফুল ব্যাক্তি হতে পারবেন না, কারন এসইও না জানলে আপনি প্রযাপ্ত পরিমানে ভিজিটর পাবেন না, আর বেশি ভিজিটর না থাকলে আপনার কন্টেন্ট পাবলিশ করতে ইচ্ছে করবেনা, বেশী ইনকাম হবেনা।


এবং বড় ব্যাপার হলো এসইও সম্পর্কে ভালো ধারনা না থাকলে আপনি অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন এর ফলে আপনার সাইটটি গুগল র্যাঙ্ক না আসতে পারে।


আপনি যদি ব্লাক হ্যাট এসইও করেন ভুলবশত ও তাহলেও আপনার সাইট গুগল থেকে অনেক বড় সমস্যায় পড়বে।


র্যাঙ্ক হারাবে এবং দেখা যাবে যে আপনার নিজের সাইটের নাম লিখে সার্চ করলেও গুগলে শো করবেনা, যদি ইউআরএল দিয়েও সার্চ করেন তাহলেও দেখতে পাবেননা সাইটটি।


এর ফলে আপনার সাইটের ভিজিটর রা যদি কোনো সময় গুগলে আপনার সাইট সার্চ করে তাহলে আপনার সাইট দেখতে পাবেনা।

এবং কোনো আর্টিকেল ও র্যাঙ্ক করবে না।


যাহোক নিজের সাইটকে ব্লাক হ্যাট এসইওর অধীনে না আনাটাই মঙ্গল।


ব্লাক হ্যাট এসইও থেকে বিরত থাকতে যে কাজগুলো করতে হবে আপনারঃ 

১। কোনো প্রতারণা মুলক পোস্ট করা যাবেনা।

২। একই পোস্ট বার বার করা যাবেনা।

৩। নিজের ওয়েবসাইটে নিজেই বেশী পরিমানে পেজ ভিউ করা যাবেনা, এটা আমার মতে বলেছি।


এছাড়াও আরো অনেক কাজ করা যাবেনা, যা আরেকটু নেটে রিসার্চ করলেই পেয়ে যাবেন।


ভালো থাকুন, আল্লাহ হাফেজ। 

 




আসসালামু আলাইকুম।

কেমন আছেন, আশাকরি আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। 

আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি।

তো প্রতিদিনের মতো আজকে ও আপনাদের জন্য লিখতে বসলাম।


আচ্ছা আমি গতকাল সর্ট কিওয়ার্ড নিয়ে আলোচনা করেছিলাম, যদি আপনি আগের পোস্ট টি না পড়ে থাকেন তাহলে আমি বলবো আপনি প্রথমে সর্ট কিওয়ার্ডের ওই পোস্ট টি পড়ে আসুন।


মনে করি আপনি পূর্বের পোস্ট টি পড়েছেন, এবার এই পোস্ট টি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।


লং টেইল কিওয়ার্ড কি বা কাকে বলে?

লং টেইল কিওয়ার্ড হলোঃ অনেক গুলো শব্দের সমন্বয়ে যে কিওয়ার্ড গঠিত হয় তাকে লং টেইল কিওয়ার্ড বলে।


আবার সহজ করে বলা যায়, যেসব কিওয়ার্ড গুলো তিনটি শব্দের বা তার চেয়ে বেশী শব্দের মাধ্যমে তৈ‌রি হয় তাদেরকে লং টেইল কিওয়ার্ড বলে।


লং টেইল কিওয়ার্ডে সবসময় দেখা যায় সার্চ ভলিউম কম থাকে।

কিন্তু লং টেইল কিওয়ার্ড দিয়ে খুব দ্রুত আর্টিকেল কে র্যাঙ্ক করা যায়।


নতুন ওয়েবসাইটে লং টেইল কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করা খুবই ভালো, সর্ট কিওয়ার্ড দিয়ে নতুন ওয়েবসাইটে র্যাঙ্ক করা খুব সহজ কথা নয়।

কিন্তু লং টেইল কিওয়ার্ড নিয়ে খুব সহজে নতুন ওয়েবসাইটে র্যাঙ্ক করা সম্ভব।




ভালো থাকুন। 

 



আসসালামু আলাইকুম।

হাই ব্রু কেমন আছেন?

আশাকরি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন, আমাদের সাইটের সাথে থাকলে আশাকরি ভালোই থাকবেন।



কারন আমরা প্রতিদিনই নতুন নতুন ট্রিকস এন্ড টিপস লিখে সবার জন্য প্রকাশ করি যাতে সবাই পড়ে উপকৃত হই।


যাইহোক মুল টপিকে ফিরে যাই.........

টার্গেটিং কিওয়ার্ড কাকে বলে?

টার্গেটিং কিওয়ার্ড হলোঃ কোনো দেশকে বা অঞ্চলকে টার্গেট করে যে কিওয়ার্ড তৈরী হয় তাকে বলা হয় লং টেইল কিওয়ার্ড ।

যেমনঃ বেস্ট এসইও কোম্পানি ইন পটুয়াখালী।

উপরিউল্লেখিত কিওয়ার্ড টি একটি লং টেইল কিওয়ার্ড।



লং টেইল কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করলে খুব সহজেই কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের ভিজিটর গুলোকে বা ক্রেতাদেরকে খুব সহজেই টার্গেট করে ক্রেতাদের নিয়ে ব্যাবসার প্রসার ঘটাতে পারে খুব সহজেই।



আমাদের চোখে এখন সচরাচর দেখা যায়, লোকজন লং টেইল কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে।

কারন এ কিওয়ার্ড ব্যবহারের ফলে অনেক লাভ হয়। 



আপনি যদি গুগলে একটু সার্চ করেন যে টার্গেটিং  কিওয়ার্ড লিস্ট।

তাহলেই অনেক উদাহরণ পেয়ে যাবেন এবং খুব সহজেই বুঝতে পারবেন আমি মনে করি।



আজকের মতো এখানেই বিদায় নিচ্ছি।





হাই কেমন আছেন, আশাকরি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন। 

আর আমাদের সাইটের সাথে থাকলে ভালো থাকারই কিন্তু কথা। 


জ্বী ঠিকই বলছি ভাই, আমাদের সাথে থাকলে আপনি ভালো থাকবেন। 

কারণ আমরা আপনাদের প্রতিদিনই নতুন নতুন উপকারী আর্টিকেল দিচ্ছি। 

এগুলো পড়লে অবশ্যই আপনি ভালো থাকবেন।  

এবং নিত্যনতুন উপকারী পোস্ট নিয়ে উপস্থিত হচ্ছি। 


যাহোক মুল কথায় আসি........ 

আজকে আমি লিখবো হোয়াইট হ্যাট এসইও নিয়ে হোয়াইট অর্থ সাদা আর হ্যাট অর্থ টুপি তাহলে দুটি শব্দ দিয়ে একটি সেন্টেন্স তৈরী করলে অর্থ দারায় সারা টুপি। 

না এখানে এর অর্থ সাদা টুপি হবেনা। 

এখানে হোয়াইট হ্যাট এসইওর অর্থ হবে লিগ্যাল পদ্ধতিতে এসইও করা। 


এখন লিগ্যাল পদ্ধতি টা আবার কি? 

লিগ্যাল পদ্ধতি হলো আপনার সাইটে যে কন্টেন্ট গুলো থাকবে তা গুগলের রুলস অনুযায়ী হতে হবে, আর্টিকেল, ইমেজ যা ই ব্যবহার করেন না কেনো তা হতে হবে স্বং নিজের অন্যর জিনিস কপি করে এনে নিজের সাইটে পোস্ট করে দিলেন এটা কিন্তু গুগলের রুলসের বাহিরে।


একটা সাইটকে এসইও করার বড় মাধ্যম ই হলো কন্টেন্ট এসইও করা, কন্টেন্ট গুলো যদি ভালোভাবে এসইও করা যায় তাহলেই সাক্সেস।


গুগল কিছু রুলস এবং কন্ডিশন দিয়েছেন প্রত্যেক ওয়েবসাইটের মালিককে যে যদি এই কন্ডিশন এবং রুলস গুলো ফলো না করেন তাহলে আপনার সাইট কিছুদিনের জন্য গুগল থেকে ইনডেক্স করা হবেনা।


আপনি অন্যর ইমেজ ও লেখা কপি করতে পারবেন না।

প্রতারনা মুলক পোস্ট করা যাবেনা।

আপনি যদি গুগল করেন যে হোয়াইট হ্যাট এসইও তাহলেই রুলস এবং আরো বিস্তারিত পেয়ে যাবেন।



 


Hi

বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন, জানি ভালো আছেন, কারণ আপনি যদি ভালো না থাকতেন তাহলে তো আর আমাদের এই ব্লগে আসতে পারতেন না।  

ঠিকতো?  


আচ্ছা ঠিকআছে আসল কাজের কথায় আসি......... 

আমাদের আজকের আর্টিকেলটি লিখবো ডোমেইন নাম নিয়ে সো শুরু করি। 


ডোমেইন নাম কি?  

ডোমেইন নাম হলোঃ ওয়েবসাইটের একটি অদ্বিতীয় ইউনিক নাম।  প্রতিটি ওয়েবসাইটের একটি অদ্বিতীয় ইউনিক নাম থাকে।  

অর্থাৎ বিশ্বের মধ্যে কেবল একটি ওয়েবসাইটেরই কেবল একটি নাম থাকবে। 


আমরা ইন্টারনেট ব্রাউজারে গিয়ে ইউআরএল বারে যে ইউআরএল লিখে এন্টার করি সেই ইউআরএলটিই হচ্ছে ডোমেইন নাম। 



ডোমেইন নাম সিলেকশন একটা বড় ব্যপার, অর্থাৎ বড় একটি বিষয়, এটা আপনাকে হুট করেই বোঝানো ঝাবেনা। 

যদি আপনাদের আগ্রহ থাকে ডোমেইন নাম সিলেকশন নিয়ে তাহলে আমি বিস্তারিত লিখবো পরবর্তী টিউনে। 


একটা ওয়েবসাইট তৈরি করার ক্ষেত্রে ওয়েবসাইট টি কোন নিশ নিয়ে তা একমাত্র বোঝার উপায়ই হলো ডোমেইন নাম দেখে। 

ডোমেইনটি যদি ঠিকমতো না চুজ করে নিতে পারেন তাহলে কিন্তু আপনার ওয়েবসাইটে বেশি ভিজিটর পাওয়ার আশংকা থাকবেনা। 



ভালো থাকুন, আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। 



আসসালামু আলাইকুম। 

কেমন আছেন? আশাকরি  আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন। 


প্রতিদিনের মতো আজও লিখতে বসলাম, নতুন একটি টিউন আশাকরি টিউনটি ভালো লাগবে আপনাদের কাছে। 


তো আজকে আমারা জানবো এসইও কি? এবং এসইও বলতে কি বোঝায়? 

তাহলে শুরু করি আজকের আর্টিকেল। 


এসওএস কি অনেকেই আমরা জানি না তো তাদের জন্য মুলত আজকের এই লিখা।

এসইও কি এসইও হলো সার্চ ইন্জিন অপ্টিমাইজেশন।

এসইও শব্দটি দুটি অংশের সাহায্য গঠিত হয়েছে।

একটি হলো এসই= সার্চ ইন্জিন ।

অপরটি হলো ও= অপটিমাইজেশন। 


সার্চ ইন্জিন হলো আমরা যেখানে কোনো কিছু সার্চ করি সোটাই হলো সার্চ ইন্জিন যেমনঃ গুগল, ইয়াহু, বিং ইত্যাদি। 


আমরা যখন গুগল বা ইয়াহুতে কোনো কিছু লিখে সার্চ করি তখন আমাদের সামনে যে এন্টারপেজ ওপেন হয় অর্থাৎ যে সার্চ রেজল্ট পেজ দেখায় তাকে সার্চ রেজাল্ট পেজ বলে। 


যাহোক আমি ডিটেইলসে বলবো না কারন আমি এ টপিকে শুধু এসইও কি এবং এসইও বলতে কি বোঝায় এটা নিয়ে লেখার কথা। 

সুতরাং আমি এসইও নিয়েই লিখবো। 


কোনো ওয়েবসাইটকে সার্চ ইন্জিনের ফাস্ট রেজাল্ট পেজে নিয়ে আসাই হলো এসইও। 


কোনো ওয়েবসাইট ঠিকমতো এসইও না করলে সেই ওয়েবসাইটে যথেষ্ট পরিমাণ ভিজিটর পাওয়া যাবেনা। 

আমরা সকলেই জানি যার ওয়েবসাইটে যতো বেশি ভিজিটর থাকবে সে ততো বেশি ইনকাম করতে পারবে। 

তাই বলা যায় এসইও ছাড়া কোনো ওয়েবসাইট র্যান্ক করা সম্ভব নয়। 

যার ওয়েবসাইট যতো বেশি এসইও করবে তার ওয়েবসাইটে ততো বেশি ভিজিটর আসবে আর বেশি ভিজিটর মানেই বেশি ইনকাম হওয়া।



আমার দেখা সবথেকে  সুন্দর একটি অডিও প্লেয়ার হলো (Pulser) 

আমারা অনেকেই অডিও গান শুনি ফোনে থাকা ডিফল্ট অডিও প্লেয়ার দিয়ে বা কেউবা প্লেস্টোর থেকে এক্সট্রা অডিও প্লেয়ার এ্যাপ ডাউনলোড করে সেটি দিয়ে শুনে থাকি।

মুল কথা হলো গান শুনতে পারলেই সেটিকে  আমরা  অডিও প্লেয়ার এ্যাপ বলতে পারি।
কিন্তু ভালো অডিও প্লেয়ার এ্যাপ বা সর্বশ্রেষ্ঠ অডিও প্লেয়ার এ্যাপ বলতে পারিনা।
কারন একটি ভালো অডিও প্লেয়ারের নির্দিষ্ট কিছু গুন থাকা প্রয়োজন যেমনঃ ১। ফোল্ডার গুলো ম্যানুয়ালি সিলেক্ট করে গান শোনার সিস্টেম থাকবে।
২। এ্যালবাম আকারে থাকবে গানগুলি।
৩। সব অডিও গুলো একত্রে লিস্ট আকারে থাকবে।
৪। অডিও গান বা গজলে পিকচার সেভ করে দেওয়ার সিস্টেম থাকতে হবে।
৫। এ্যালবাম নাম, ট্রাক নাম, আর্টিস্ট নাম সবকিছু এডিট করার সিস্টেম থাকতে হবে।
৬। লক অবস্থায় অডিও গান, বা গজলকে চেন্জ করার পুশ করার অপশন থাকতে হবে।
এছাড়া ও আরো অনেক কিছু থাকবে একটি ভালো অডিও প্লেয়ারে, যা সবকিছুই আছে এ প্লেয়ারটিতে।
 
অডিও প্লেয়ার এ্যাপটির নামঃ Pulser
এ্যাপটির সাইজঃ  ৭ মেগাবাইট প্রায়।
এ্যাপটি প্লেস্টোরে নাম লিখে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন।



আজকের মতো এখানেই শেষ করছি এখানে পোস্ট টি।
ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। 

আসসালামু আলাইকুম।

আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো কিভাবে নিজের চোখকে কম্পিউটারের স্কিনের আলো থেকে  বা ল্যাপটপের আলো থেকে সুরক্ষিত রাখতে পারেন সে বিষয় নিয়ে।


আমরা যারা বেশী সময় ধরে মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার করি তাদের চোখের সেফটির জন্য অনেক পদ্ধতি অবলম্বন করে চলতে হয়।

অনেকেই রয়েছে যারা পাবজি খেলা নিয়ে ব্যস্ত থাকে বা চ্যাটিং করায় ব্যাস্ত থাকে কিন্তু চোখের যে কতোটা শক্তি হ্রাস পাচ্ছে তা বুঝতে পারেনা।


আপনি খেয়াল করলে দেখতে পারবেন আপনাকে দিয়েই, যে ফেসবুকের নিউজফিডে যখন বন্ধুদের পোস্ট গুলো দেখতে শুরু করেন তখন কখন যে সময়গুলো কেটে যায় তা টেরই পাননা।

রাত নয়টার সময় প্রবেশ করলে রাত ১২ টা বেজে যায় আপনার কাছে সময় মনে হয় ৪জি গতিতে কেটে যায়।


আবার যখন মেসেন্জারে চ্যাটিং করা শুরু করেন, কি যে সময়গুলো আনন্দের সহিত কাটে তা বলে বোঝানো যাবেনা কাউকে তাইতো? সময় সে সময় মনে হয় ৬জি গতিতে শেষ হয়ে যায়।


আবার ফোন নিয়ে গেমস খেলার সময় ও মনে হয় যে আরেকটু খেলি, এই আরেক বার খেলেই শেষ করবো গেমটি কিন্তু আরেকবার আরেকবার করতে করতে একপর্যায়ে অনেক সময় শেষ হয়ে যায়।



যারা ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চায় বা ফ্রিল্যান্সিংয়ের সাথে জড়িত তারা দিনের ও রাতের অধিকাংশ সময়ই কম্পিউটার বা ল্যাপটপের বা ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়। 

এই আলো চোখের জন্য অনেক ক্ষতিকর, চোখের পাওয়ার কমে যায়।

চোখকে সুরক্ষিত রাখার জন্য আপনি ব্লু চশমা পরে কম্পিউটার বা মোবাইল ব্যবহার করতে পারেন, এবং থ্রিপল কুড়ি পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।


২০-২০-২০ পদ্ধতি হলো ২০ মিনিট পর পর ২০ মিটার কোনো বস্তুর দিকে ২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকবেন।


উপরিউক্ত দুটি পদ্ধতি অবলম্বন করলে আপনার চোখের ক্ষতি আগের চেয়ে অনেক অনেক কম হবে।


 


 আসসালামু আলাইকুম।

হে গাইস ভালো আছেন নিশ্চয়ই, আমিও ভালো আছি।

নতুন আর্টিকেল লিখতে বসলাম আজ আবার।

কি করবো বলেন লেখালেখি যে আমার নেশা এটাই যে আমার পেশা তাইতো না লিখে থাকতে পারিনা।


মুল টপিকে চলে আসি .........

আমি যতোগুলো ফাইল ম্যানেজার এ্যাপ ব্যবহার করেছি তার মধ্য এটিই আমার দেখা সবচেয়ে ভালো এবং সর্বশ্রেষ্ঠ ফাইল ম্যানেজার।


ফাইল ম্যানেজার এ্যাপটিতে এতো এতো ফিচারস রয়েছে যা বলে শেষ করা যাবেনা।

ওহো ফাইল ম্যানেজার এ্যাপটির নামই তো বলা হয়নি।

ওকে বলছি তাহলে নাম,

ফাইল ম্যানেজার এ্যাপটির নাম হলোঃ ES File Manager

ফাইল ম্যানেজার এ্যাপটির সাইজঃ প্রায় ৯ মেগাবাইট।

প্লেস্টোরে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন।



এ্যাপটি দিয়ে আপনি যা যা করতে পারবেনঃ

১। জিপ ফাইলকে এক্সট্রাক্ট করতে পারবেন।

২। জিপ ফাইল তৈরী করতে পারবেন।

৩। যেকোনো ধরনের ফাইল বানাতে পারবেন যেমনঃ এইচটিএমএল, টেক্সট, পিএইচপি।

৪। কোডিং এডিটর কাজ করতে পারবেন।

৫। অডিও গান শুনতে পারবেন।

৬। ভিডিও গান দেখতে পারবেন, অন্য কোনো প্লেয়ার ছাড়াই।

৭। শেয়ারইট ছাড়াই যেকোনো কন্টেন্ট অন্য ফোনে শেয়ার করতে পারবেন।

৮। যেকোনো কিছু ভুলে ডিলিট করে ফেললে বিন থেকে রিস্টোর করতে পারবেন।

৯। যেকোনো কিছু হাইড করে রাখতে পারবেন।

১০। এছাড়াও রয়েছে অনেক গুলো থিম যা ব্যবাহার করে অনেক সুন্দর লুক দিতে পারবেন।


এছাড়াও রয়েছে আরো অনেক অনেক ফিচারস।

সত্যি আমি এ ফাইল ম্যানেজার এ্যাপটির চেয়ে আর ভালো কোনো ফাইল ম্যানেজার এ্যাপ এখনো দেখিনি।

আপনি যদি এ এ্যাপটি ব্যাবহার করেন তখন ঠিক বুঝতে পারবেন যে এ্যাপটি আপলেই কতোটা হেল্পফুল।


স্কিনসটঃ





ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। 



আসসালামু আলাইকুম

আমি মোঃ হৃদয়।

বরাবরের মতো আবারো লিখতে বসলাম নতুন একটি পোস্ট।

এবারের পোস্ট টি আরো চমৎকার হবে পূর্বের পোস্ট গুলোর চেয়ে।


সরাসরি পোস্টের টপিকে চলে যাই......

এ্যাপ রিভিউঃ

 এ্যাপটির নামঃ Picsay 

এ্যাপটির সাইজঃ 1 MB 

এ্যাপটি ডাউনলোড করবেন গুগলে গিয়ে সার্চ করুন picsay লিখে তাহলেই পেয়ে যাবেন। 


এ্যাপটির নামই একটু কেমন কেমন লাগলো না যে পিকসে।

এ্যাপটির নামের বাংলা অর্থ হলোঃ  পিক দিয়ে কথা বলানো।

এখন বলতে পারেন পিকচার, ইমেজ দিয়ে দিয়ে কথা বলানো যাবে?

জ্বী প্রিয় ভিজিটর।

কিন্তু আপনি ভয়েসে কথা বলাতে পারবেন না, আপনি লিখে বলাতে পারবেন।

যেমনঃ আমি একটি স্কিনসট দিয়ে ভিজিটরদের বোঝাতে চাচ্ছি এখানে ক্লিক করুন, তাহলে আমাকে ইশারা দিয়ে বা মার্ক করে বোঝাতে হবে যে এখানে ক্লিক করুন।

এই পিকসে এ্যাপে আপনি বিভিন্ন সাইন নিয়ে বোঝাতে পারবেন।


যারা লেখালেখি করে নিজের বা অন্যর ব্লগে তাদের প্রয়োজন হবে এ এ্যাপটি।



১। এ্যাপটিতে রয়েছে অনেক ফিল্টার যা ব্যবহার করে অনেক সুন্দর করে তোলা যায় ছবিকে।

২। যারা টুকিটাকি ছবি এডিটিং করে ছবিকে ঝাকঝমক করতে চায় তাদের জন্য এই এ্যাপ। এ এ্যাপে একেবারে নিচের দিকে কিছু ফিল্টার রয়েছে যা ব্যবহার করে ছবিকে ঝাকঝমক করে তোলা যায়।

৩। এ্যাপটিতে রয়েছে অনেক ইমেজ যা দিয়ে কোনো ছবিকে সুন্দর করে সাজানো যায়।

৪। এ্যাপটিতে রয়েছে ছবি ক্রুপ করা ও রিসাইজ করার অনেক ভালো পদ্ধতি।

৫। আরেকটি মজাদার ফিচার রয়েছে সেটি হলো, যেকোনো বড় সাইজের ছবিকে তিন কোয়ালিটিতে, হাই কোয়ালিটি, মিডিয়াম কোয়ালিটি, লোকোয়ালিটি এই তিন কোয়ালিটিতে রেখে কনভার্ট করতে পারবেন। 

 



আসসালামু আলাইকুম।

আশাকরি  ভালো আছেন, আমিও ভালো আছি আপনাদের দোয়া ও আর্শিবাদে।


আজকে লিখতে বসলাম জিপির অফার নিউজ নিয়ে।

এ অফারটি আমি বিগত ৫বছর ধরে ক্লেইম করে আসছি।


এ চমৎকার অফারটির কথা জানিয়েছিলো আমার এক হাইস্কুল গার্লস বন্ধু।

মাত্র ২টা ৫০ পয়সায় ২০ টি এসএমএস এবং  সাথে পুরো একমাসের জন্য মিসড কল এ্যালার্ট সার্ভিস।

ব্যাপারটা কিন্তু আসলেই মজাদার।

১মাসের এলার্ট সার্ভিসের জন্য যেখানে ২৮ টাকা দিতে হয় সেখানে ২টাকা ৫০ পয়সার এসএমএস কিনলেই ফ্রি!



অফার সম্পর্কে বিস্তারিতঃ

আমার জানামতে যেকোনো গ্রামীনফোন সিমের জন্য ওপেন রয়েছে অফারটি।

২টাকা ৫০ পয়সা প্লাস ভ্যাট প্রযোজ্য অফারটি পেতে ডায়াল করতে হবে, *১১১*১১*১# ডায়াল করার সাথে সাথেই মেসেজে বিস্তারিত দেখতে পাবেন।


২০ টি এসএমএসের মেয়াদ ১ দিন।

এবং সাথে ফ্রি মিসকলড এলার্ট সার্ভিসের মেয়াদ ৩০ দিন।



মিসকল এলার্ট সার্ভিস কি?

মিসকল এলার্ট সার্ভিস হলোঃ ফোন বন্ধ থাকা মুহুর্থে কেউ যদি আপনার ফোনে কল করে এবং ফোন খোলার পরে জিপি এসএমএস করে জানিয়ে দিবে অমুকে বা অমুকেরা এই নাম্বার থেকে এই কয়টা বাজে এতোবার ফোন করেছিলো। 



ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।


 



মোবাইলে ভিডিও দেখার জন্যে আমরা অনেকেই অনেক ধরনের ভিডিও প্লেয়ার এ্যাপ ব্যবহার করে থাকি।

কিন্তু আপনি জানেন কিনা আমার জানা নাই যে যতো গুলো ভিডিও প্লেয়ার এ্যাপ রয়েছে তার মধ্য সর্বশ্রেষ্ঠ ভিডিও প্লেয়ার এ্যাপ হলো  mx player।


এমএক্স প্লেয়ারটিতে এতো মনোমুগ্ধকর ফিচারস রয়েছে তা অন্য কোনো ভিডিও প্লেয়ার এ্যাপে আমি দেখতে পাই নাই।

এমএক্স প্লেয়ার টি দিয়ে কোনো নিখুত বস্তুকে খুব সুন্দর করে বড় করে দেখা যায়।



এমএক্স প্লেয়ার দিয়ে কোনো তামিল মুভি বা ইংরেজী মুভির বাংলা সাবটাইটেল ডাউনলোড করে খুব সহজেই বাংলা সাবটাইটেল ব্যবহার করে মুভির সমস্ত ভাষা গুলো বুঝতে পারা যায়।

যা এই সাবটাইটেলের ফিচারটি অন্য কোনো ভিডিও প্লেয়ার এ্যাপে আর নেই।



এছাড়াও রয়েছে কোনো ভিডিও গানের বা মুভির যদি সাউন্ড ক্লিয়ার না হয় তাহলে যতটুকু সাউন্ড আছে তার চেয়েও বেশী সাউন্ড দিয়ে শোনা যায় এই এ্যাপটি ব্যবহার করে।


MX Player এ্যাপটি প্লেস্টোরে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন।

এ্যাপটির সাইজঃ ২০ মেগাবাইট প্রায়।

এ্যাপটিতে অনেক অনেক ফিচারস রয়েছে।


ভালো থাকুন।